এই পদ্ধতিতে সারা বছর জুড়ে সংরক্ষণ করুন টাটকা আম, লাগবে না কোনা,ক্যামিকেল, রোদে শুকানো, রইল A-Z পদ্ধতি।

নিজস্ব প্রতিবেদন: আম একটি মৌসুমী ও ফল। মৌসুম ছাড়া আম পাওয়া যায় না। আম সারা বছর সংরক্ষণ করার জন্য আমাদের বিশেষ বিশেষ কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়। যে পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করে আমরা সারা বছর আমের স্বাদ গ্রহণ করতে পারি। যে পদ্ধতি গুলো অবলম্বন করে আমরা যেকোন সময় আমের স্বাদ নিতে পারব। এমন একটি পদ্ধতি অবলম্বন করলে আম টাটকা থাকবে বছরজুড়ে। আম গুলোকে টাটকা রাখার জন্য প্রয়োজন হবেনা কোন ধরনের কেমিক্যালের।

রোদে শুকানো এবং ডিপ ফ্রিজে রাখা ছাড়াই আমগুলো থাকবে সারা বছর সতেজ।  এ পদ্ধতিতে আমের কোন ধরনের গুণাগুণ নষ্ট হবে না।এই পদ্ধতিতে আমের স্বাদ ও থাকবে অটুট। এই পদ্ধতিতে আমের রং থাকবে একই রকম আমগুলো নেতিয়ে যাবে না। না নষ্ট হবে আমি কচকচে ভাব। তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে আম সংরক্ষণ করলে আমগুলো সারা বছর জুড়ে থাকবে সতেজ এবং আমের গুণাগুণ গুলো থাকবে টেকসই।  যেভাবে আমগুলো সংরক্ষণ করলে আমগুলো সারা বছর থাকবে টাটকা।

এই পদ্ধতিতে আম সংরক্ষণ করলে সারা বছর আপনারা ঘরে বসেই কাঁচা আমের স্বাদ নিতে পারবেন। কাঁচা আম সংরক্ষণের পদ্ধতি: প্রথমে আমগুলোকে ভালোমতো পানি ছাড়া পরিষ্কার করে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিতে হবে। এমনভাবে আমগুলোকে মুছতে হবে যাতে করে এর মধ্যে কোনো এক্সট্রা পানি না থাকে। তাই আম গুলোকে ভাল করে ধুয়ে সুন্দরভাবে মুছে নিতে হবে জাতির মধ্যে কোন পানি না থাকে। এরপর আম গুলোকে মাঝারি ছোট সাইজ করে টুকরো টুকরো করে কেটে নিতে হবে।

এমনকি আপনাদের পছন্দমত আপনারা আমগুলোকে কেটে নিতে পারেন। আম গুলো কেটে নেওয়া হয়ে গেলে আমের বীজ টাকে ফেলে দিতে হবে। বারবার আম গুলো কে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিতে হবে। যাতে করে আমি গুলোর মধ্যে কোন ধরনের পানি না থাকে। আপনাদের যেটুকু আমের সাইজের প্রয়োজন আপনারা সে অনুযায়ী আমগুলোকে কেটে নিবেন। এভাবে সব আমগুলোকে একে একে কেটে নিতে হবে। অবশ্যই আম গুলোকে পানি ছাড়া পরিষ্কার করে নিতে হবে এর মধ্যে কোন ধরনের পানি ব্যবহার করা যাবে না।

আমগুলো কেটে কিছুক্ষণের জন্য একটি বাটিতে রেখে দিতে হবে। একটি হাঁড়ি বসিয়ে দিয়ে এর মধ্যে দু কাপ পরিমাণ পানি দিয়ে দিতে হবে। এরপর এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে হাফ কাপ পরিমাণ মত লবণ। 2 কাপ পানির জন্য হাফ কাপ লবণ যথেষ্ট।লবণ গুলোকে পানির সাথে মিশিয়ে নিতে হবে। লবনটা পানির সাথে মিশে গেলে চুলার মধ্যে আগুন দিয়ে দিতে হবে। চুলার আগুন বেশি বাড়িয়ে না দিয়ে এটিকে মাঝারি আকারে রাখতে হবে। এভাবে বারবার পানিকে নাড়তে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না পানিগুলো ফুটে উঠছে।

পানি যখন ফুটতে শুরু করবে তখন একটু পরপর পানিকে নেরে দিতে হবে। এভাবে ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে পানিটাকে। পানির গুলো ভালো করে ফুঁটিয়ে নেয়া হলে এগুলোকে ঠান্ডা করার জন্য ঠান্ডা স্থানে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে। এবার আম সংরক্ষণের জন্য একটি কাচের বোয়াম পরিষ্কার করে নিতে হবে শুকনা কাপড়ের সাহায্যে অথবা রোদে শুকিয়ে দিতে পারেন। এমন ভাবে পরিষ্কার করতে হবে যাতে করে কাছের সেই মধ্যে বোতলটির মধ্যে কোন ধরনের ধুলাবালি বা পানি না থাকে।

কাচের বোয়াম টি পরিষ্কার করা হয়ে গেলে এর মধ্যে কেটে রাখা কাঁচা আম গুলোকে দিয়ে দিতে হবে। এমনভাবে আমগুলোকে দিতে হবে যাতে করে আমগুলো ভেজা না থেকে শুকনা থাকে। এভাবে কেটে রাখা সব আম গুলো দিয়ে দিতে হবে কাচের বোতলে। কাচের বোতলে আমগুলো ভরে দাও হয়ে গেলে এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ফুটে রাখা সেই ঠান্ডা লবণ পানি গুলো। খেয়াল রাখতে হবে লবণ পানি গুলো যাতে আমের উপরে থাকে।

আমের উপরে লবণ-পানি গুলো না থাকলে আমগুলো পচে নষ্ট হয়ে যাবে। পানি গুলো যাতে আমের উপরে ভেসে থাকে,এরকম ভাবে পানি গুলো কাচের বোতলের মধ্যে ঢালতে হবে। লবণ পানি ঢেলে দিয়ে কাচের বোতলের ঢাকনা দিয়ে বোতলটিকে ঢেকে দিতে হবে। বোতলটি দেখে দিলেই তৈরি হয়ে যাবে আম সংরক্ষণের এই দারুন একটি পদ্ধতি। এভাবে আমগুলোকে সংরক্ষন করে সারা বছর আম দিয়ে আমের দিয়ে তৈরি করা যায় এমন সকল কিছু তৈরি করতে পারবেন।

বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুনঃ

আরো পড়ুন

সামান্য সুজি আর দুধ দিয়ে বানিয়ে নিন স্পেসাল তুলতুলে নরম মজাদার মিষ্টি, স্বাদ হবে হেব্বি ভিডিও সহ বৌদির হতে রেসিপি!!

নিজস্ব প্রতিবেদন: মিষ্টি পাগল মানুষদের জন্য আজকের এই রেসিপি। আপনি কি মিষ্টি খেতে খুব পছন্দ ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.