দারুচিনি,লবঙ্গ কেন এত দামি? কিভাবে সংগ্রহ করা হয়, বিস্তারিত প্রতিবেদন ভিডিও সহ!

নিজস্ব প্রতিবেদন: আমরা বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করার জন্য বিভিন্ন ধরনের মসলা ব্যবহার করে থাকি। একেক ধরনের মসলা আমাদেরকে একেক ধরনের মজা দিয়ে থাকে। আমাদের খাবার কেয়ারও সুস্বাদু করে তোলার জন্য একেক দেশে একেক ধরনের মসলা ব্যবহার করে থাকে। তবে মাংস জাতীয় খাবারের কিছু সাধারন মসলা রয়েছে। যা আমরা সকলেই ব্যবহার করে থাকি। আর এই সাধারন মসলাগুলো আমাদের রান্না সাতটি দ্বিগুণ পরিমাণ বাড়িয়ে তোলে এবং আমাদেরকে সম্পূর্ণ পুষ্টিগুণ বজায় রাখতে সাহায্য করে।

তবে আপনারা কি কখনো ভেবে দেখেছেন এ ধরনের মসলা কিভাবে তৈরি করা হয় কিভাবে চাষ করা হয়? আমরা শুধু বাজার থেকে কিনে এনে মসলা ব্যবহার করতে পারি। কিন্তু এ ধরনের মসলার ব্যবহার করার জন্য আপনি কিভাবে প্রস্তুত করা হয়। আমরা প্রস্তুত কাহিনী কেউ জানিনা। আজ আপনি আমরা আপনাকে এমন একটি ভিডিওর কথা বলব। যে ভিডিওতে একটি সাধারন মসলার ব্যাপারে সম্পূর্ণ চাষ থেকে শুরু করে এবং প্রসেসিং পর্যন্ত বলা হয়েছে।

আমরা সাধারন মুসলমান মধ্যে আর আজকে দারচিনি সম্পর্কে আপনাদেরকে জানাবো। দারচিনি অতি সাধারণ একটি মসলা এবং এর পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। আর এটি আমাদের রেসিপিগুলো তেল ব্যবহার করলে আমাদের রেসিপিগুলো সাদ দ্বিগুণ পরিমাণ বেড়ে যায়। নেটদুনিয়ায় যখন এই দারচিনির ভিডিও ছেড়ে দেয়া হয় তখন বিপুল পরিমাণে ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। আর এই ভাইরাল হওয়া ভিডিও টি দেখে মানুষ প্রচুর পরিমাণে সাড়া দেয়। কারন মানুষ শুধু দারচিনি ব্যবহার করতে পেরেছে কিন্তু দারচিনির কিভাবে চাষ করা হয় এবং এর প্রস্তুত প্রণালী সম্পর্কে আগে জানতো না।

আমরা মানব জাতি নতুন কিছু জানতে সত্যিই খুব পছন্দ করি। তাই আমাদের এই ধরনের ভিডিও গুলো প্রতি বেশি আকর্ষণ করে। চলুন তাহলে জেনে নেই এই ভিডিওতে এমনকি রয়েছে যে মানুষকে এতটা আকর্ষণ করে তুলেছে। ভারতের মধ্যপ্রাচ্যের দারুচিনি চাষ করা হয়। তবে আপনারা এটা জেনে সত্যিই অবাক হবেন যে দারুচিনি চাষ করার প্রথম ধাপ সম্পূর্ণ কৃষকের হাতেই থাকে। এখানে কোন মেশিন ব্যবহার করা হয় না। ধান চাষ করার সময় যেহেতু কোন মেশিন ব্যবহার করা হয় না। ঠিক তেমনি দারচিনি চাষের সময় কোন মেশিনের ব্যবহার ব্যবহার হয় না সম্পূর্ণ কৃষকের হাত দ্বারা প্রথম ধাপ প্রস্তুত করা হয়।

দারুচিনি চাষ করার জন্য প্রথমে দারুচিনি গাছ রোপন করতে হয় আর এই দারুচিনির গাছ গুলো অনেকটা রাবার গাছের মতো দেখতে হয়। যখন দারুচিনির গাছে বড় হয় তখন দারুচিনির বাগান অনেকটা জঙ্গলের মতো দেখা যায়। তাই কৃষকেরা দারুচিনি গাছ গুলো অফ বড় হওয়ার সময় আমি একদম নিশ্চুপ বগুড়া থেকে মাথা পর্যন্ত বেঁধে দেয়। এরপর গাছগুলো যখন বড় হয়ে যায় তখন গাছের গোড়া থেকে গাছের ডালপালা সহকারে গাছ কেটে নিয়ে আসা হয়। এখনো সেই গাছ থেকে অতিরিক্ত অর ডাল এবং পাতাগুলো ছিড়ে নেয়া হয়। এখন এই গাছের ডালগুলো থেকে গাছের উপরের অংশকে অংশ কেটে নেয়া হয়। আর এটি চীনের অংশ ফেলার জন্য কৃষক সম্পূর্ণ তার নিজের হাত ব্যবহার করে। কোন মেশিন ব্যবহার করেনা।

এরপর গাছের গুড়ি গুলো থেকে যখন উপরে কালো অংশ ফেলে দেওয়া হবে তখন গাছের গুড়ি গুলো থেকে গাছের ছাল আলাদা করে নেয়া হয়। এটাই এই গাছটি একটু কষ্টের। এর পরের হারগুলো রোদে শুকানো হয়। কিছু দিন রোদে শুকানোর পর ঘরের মধ্যে উপরের অংশের জালের মত বেঁধে ওইগুলো ভাল করে ওখানে বিছিয়ে রাখা হয়। এরপর এগুলো যখন বাজারে বিক্রির যোগ্য হয় তখন এগুলো বড় বড় আঁটি বেঁধে রেখে যোগ্য করে তোলা হয়। এরপর বিভিন্ন কোম্পানির কৃষকের কাছ থেকে এগুলো কিনে নিয়ে যায়। তারা এ দার্জিলিং এর গানগুলো কিনে নিয়ে বড় বড় অংশও করে কেটে নেয়।

যেগুলো ও ভালো মানের দারচিনি সেগুলো একটি বাক্সবন্দি করে বাজারে বিক্রি যোগ্য করে তোল। অন্যান্য বড় দার্শনিক গুলো প্যাকেটজাত করে এবং তার নিকট পাঠানো হয়। আর এই দারচিনি প্যাকেটজাত করার সময় যে টুকরো গুঁড়ো গুঁড়ো ও দারচিনি পাওয়া যায় সেগুলো একটি মেশিনের মাধ্যমে পাউডার করে। আর এই পাউডার করা দারুচিনি ওগুলো রান্নার কাজে ব্যবহার হয় বলে এগুলো প্যাকেটজাত করে বাজারে বিক্রি করে। আপনারা যদি এ দারচিনির তৈরি করার সম্পূর্ণ প্রস্তুত প্রণালী দেখতে চান তাহলে আমাদের নিচের দেওয়া লিংকে ক্লিক করতে পারেন।

বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুনঃ

আরো পড়ুন

মানু,ষের তৈরি এই স্থাপনা গুলো আপনাকে অবাক করে দিবে, অবি,শ্বাস্য ৭ টি নির্মাণ, যেগুলো দেখতে স্ব,প্নের মতো!

নিজস্ব প্রতিবেদন: ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তির উন্নতির ফলে মানুষ পৃথিবীতে তৈরি করেছে বিভিন্ন আশ্চর্যজনক ও অবাক করার …

Leave a Reply

Your email address will not be published.