দারুন কায়দায় ডোবা থেকে জ্যান্ত বড় মাগুর মাছ ধরল এই কিশোর, ব্যপক ভাইরাল তার ভিডিওটি!

নিজস্ব প্রতিবেদন: মাছে ভাতে কথাটি যেন একদম সত্য। বর্ষাকালে মাছ ধরার মজাই অন্যরকম। এই সময়ে নদী-নালা, খাল-বিল, ডোবা-পুকুর পানি বেশি থাকে। আর আমরা সকলেই জানি বেশি পানিতে মাছ তার প্রান খুজে পায়। আবার গ্রামের ধান ক্ষেতে বর্ষা মৌসুমে মাছ পাওয়া যায়।

গ্রামের শিশুরা মাছ ধরতে খুব পছন্দ করে। তারা মাছ ধরার জন্য বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করে। যা সাধারন মানুশকে তাক লাগিয়ে দেয়ার মত। তেমনই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক কিশোরের জেন্ত মাগুর মাছ ধরা ভাইরাল হয়। যা বর্তমানে নেট দুনিয়াকে মাতিয়ে রাখছে। কিশোটি অসাধারণ ভাবে মাছ ধরেছে।

কিশোর তার বাড়ি থেকে কিছু কেঁচো এবং কিছু পানির খালি বোতল নিয়ে এসেছে। সাথে বরশি গুল সুতার সাহায্য বোতলে লাগিয়ে নিয়ে আসছে। এরপর বরশিতে কেঁচোগুল গেঁথে নিয়ে নেয়। কচুরিপানা যুক্ত পাশের ডোবাতে বরশি গুলো পেতে দিল শিশুটি। প্রায় ২ ঘণ্টা পর এসে দেখে বরশি গুলোতে মাছ আটকে আছে।

তার মধ্য ২ টা মাগুর মাছ ছিল,সেই মাগুর মাছে একটি মাছ ছিল অনেক বড়। যা শিশুটি ধরতে পারছিল না। বরছি গুলোতে মাগুর মাছে সাথে শোল মাছ, শিং মাছ ধরা পড়ে। কিশোরের এই মাছ ধরার পদ্ধতি দেখে সবাই অবাক হয়ে যায়। গ্রামের অনেক মানুষ এখন এই পপদ্ধতিতে মাছ শিকার করছে।

আর খুব ভাল ফলাফল পাচ্ছে। অনেক মানুষ তো এভাবে মাছ ধরে জীবিকা অর্জন করছে, নিজেদের সংসার চালাচ্ছে। আর বাঙালি পাতে মাছ না থাকলে জেন খাওয়া জমে উঠে না। তাই বাঙালির পাতে মাছ থাকাই লাগবে। বাঙালি মাছ খেতে যেমন পছন্দ করে ঠিক তেমনই মাছ ধরতে পছন্দ করে।

মুহূর্তেই ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি দেখে অনেক মানুশ এভাবে মাছ শিকার করছে। কেউ কেউ তো ভিডিওটি দেখে মাছ দরে কিশোরটিকে ধন্যবাদ জানাচ্ছে। ভিডিওটি ইন্টারনেটে দেয়ার সাথে সাথে ছরিয়ে পরে। আর খুব দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। কি অসাধারন কায়দায় মাগুর মাছ শিকার করেছে। আপনারা চাইলে নিচের দেয়া ভিডিও লিংক্টিতে গিয়ে ভিডিওটি দেখে আসতে পারেন।

বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুনঃ

আরো পড়ুন

গ্রামে চিতা বাঘের উৎপাতের কারনে কেউ রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে পারেনা। যুবকের অসাধারন বুদ্ধিতে অবশেষে ধরা পড়ল সেই বাঘটি। পুরস্কৃত করা হলো যুবকে। ভাইরাল ভিডিও

নিজস্ব প্রতিবেদন:আমার দাদুর তখন সাতাশ আঠাশ বয়স , বিয়ে করেন নাই তখনো , বংশের চাকুরি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *