ফ্যাক্টরিতে কিভাবে পরিশোধিত করে খাটি সোনা তৈরি করা হয়, আর কেনেই বা কেউ সোনার ফ্যাক্টরিতে কাজ করতে চায়না।

নিজস্ব প্রতিবেদন: পৃথিবীতে সবচাইতে দামি পদার্থ গুলির মধ্যে একটি স্বর্ণ। স্বর্ণ এমন একটি পদার্থ যারা পৃথিবীতে সবচাইতে বেশি অলংকার তৈরি করা হয়। কমবেশি সকলেই চাই এই স্বর্ণ নিজের কাছে রেখে দিতে। আজকের এই ভিডিওটিতে আলোচনা করা হয়েছে স্বর্ণের সম্পূর্ণ প্রসেস। সমগ্রা উত্তোলন করা হয়, পরিশোধন করা হয়, কিভাবে বিভিন্ন আকার ধারন করা হয়, এবং কোন প্রসেসে স্বর্ণের বিভিন্ন অলংকার তৈরি করা হয় তার বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।

স্বর্ণ উত্তোলন এবং সংগ্রহ: স্বর্ণ একটি খনিজ পদার্থ। যারা বিভিন্নভাবে সংগ্রহ এবং উত্তোলন করা হয়। এই স্বর্ণ মাটি করে কিংবা পাহাড় কেটে সংগ্রহ করা হয়। এবং মাঝেমধ্যে বিভিন্ন বহমান নদী থেকে আহরণ করা হয়। মাটি কিংবা বালু পাথর থেকে স্বর্ণ আলাদা করা খুব কঠিন একটি কাজ। সকলের দ্বারা এ কাজ করা সম্ভব না। যার জন্য প্রয়োজন ট্রেনিং। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন আধুনিক মেশিন দ্বারা এই কাজ খুব সহজে করা হচ্ছে।

পরিশোধন: স্বর্ণ গুলো আহরণ করার পর এগুলোকে বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে পাঠিয়ে দাও। এবং সেখানেই এগুলোকে বিভিন্ন কেমিক্যাল ও বিভিন্ন চাপ এবং তাপমাত্রার মাধ্যমে স্বর্ণ গুলোকে পরিশোধন করা হয়। খনি হতেউত্তোলন কৃত স্বর্ণ গুলোর মধ্যে বিভিন্ন রকম পদার্থ মিশ্রিত থাকে ।যেমন নিকেল, তামা ইত্যাদি। এগুলো মিশ্রণের উপর ভিত্তি করে স্বর্ণার মধ্যে ক্যারেট নির্ণয় করা হয়। ক্যারেট নির্ণয়ের মাধ্যমে স্বর্ণের বিশুদ্ধতা প্রকাশ পায়। স্বর্ণের মধ্যে 24 ভাগের কত ভাগ স্বর্ণ আছে আর কত ভাগ অন্যান্য পদার্থ মিশ্রিত আছে তার ওপর ভিত্তি করে স্বর্ণের ক্যারেট নির্ণয় করা হয়।

বিভিন্ন আকৃতি করণ: পরবর্তীতে স্বর্ণ গুলো ইট কিংবা বিস্কুটের আকারে ধারণ করা হয়। ইট তৈরি করার জন্য স্বর্ণের গানা গুলোকে বক্সের মধ্যে রয়েছে হিটিং চেম্বারে ধারণ করা। এবং তা ঐখানেই গলে গিয়ে ছোট ইটের আকার ধারণ করে। এবং একইভাবে ছোট বক্স এর মাধ্যমে বিস্কুট তৈরি করা হয়। হিট এবং বিস্কুট গুলো তৈরি করা হয় সাধারণত কাঁচা সোনা বাজারজাতকরণের জন্য। সাধারণত স্বর্ণ প্রক্রিয়াজাত কারী কোম্পানিগুলো কোন অলংকার তৈরি করে না। উক্ত স্বর্ণ গুলো অলংকার তৈরির কোম্পানি গুলোর কাছে বিক্রি করার জন্য এ ধরনের আকৃতি ধারণ করা হয়।এবং অন্যান্য দেশে রপ্তানি করার জন্যও এ ধরনের আকৃতিতে গঠন করা হয়।

অলংকারের মেনুফেকচারিং: প্রথমে স্বর্ণ গুলোকে গলিয়ে লম্বা তারের মতো করা হয়। এবং তা বিভিন্ন যন্ত্র ব্যবহার করে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকন করা হয়।এবং এগুলোকে পেচিয়ে স্প্রিংয়ের মতো করা হয়। এবং পরে অর্ধা অর্থি ভাবে এগুলোকে কেটে নেওয়া। এবং পরবর্তীতে তারা বিভিন্ন মেশিন ব্যবহার করে চেন তৈরি করা হয়। এই পদ্ধতিটা পুরনো দিনের পদ্ধতি। তবে বর্তমানে বিভিন্ন আধুনিক মেশিনের আবিষ্কার হয়েছে। যারা খুব সহজে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা। আধুনিক মেশিন দ্বারা এ টু জেড প্রসেস গুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা হয়।

এমনকি অলংকার গুলোতে বিভিন্ন রকম সিল মারা হয় এই আধুনিক মেশিন দ্বারা। আধুনিক মেশিন দ্বারা তৈরি কৃত অলংকারগুলো দেখতে অনেক সুন্দর এবং খুব মসৃন হয়ে থাকে। বর্তমানে ইউটিউব কিংবা বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে স্বর্ণ উত্তোলন এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রণালী সম্পূর্ণ বিস্তারিত ভিডিওসহ দেওয়া থাকে। যা খুব সহজেই সচরাচর দেখা যায়। ঠিক তেমনি আজকের এই ভিডিওটিতে স্বর্ণের পূর্ণ প্রসেস দেখানো হয়েছে। স্বর্ণ সম্পর্কে পুরোপুরি জানতে না টেনে পুরো ভিডিওটি দেখুন।

বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুনঃ

আরো পড়ুন

কপালের আকার বলে দেবে আপনার ভবিষ্যত এবং আপনার ভাগ্য! বিশ্বাস না হলে মিলিয়ে নিতে পারেন।

নিজস্ব প্রতিবেদন: আমরা অনেকেই বিভিন্ন ভাবে ভাগ্য নির্ধারণ করে থাকি। বিভিন্ন জ্যোতিষী কিংবা বিশেষজ্ঞ দ্বারা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.