যে ১০ টি কারনে মেয়েদের চুল লম্বা হয় না

মেয়েদের কাছে অলংকারের থেকেও মূল্যবান হচ্ছে তার চুল। সুন্দর লম্বা ও ঘন চুল সব মেয়েরাই চায়। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা হয় না। চুলের ঘাটতি মেটাতে একের পর এক দামি দামি সামগ্রী ব্যবহার করে চুলকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করে।

কোনও সমস্যা মেটাতে গেলে সবার প্রথমে জানা উচিত তার কারণটা কী?কেন এই ধরণের সমস্যা হচ্ছে। এটা জানতে পারলেই সমস্যা সমাধান করা অনেক সোজা হয়ে যায়। মূলত ১০টি কারণে আপনার চুলের সমস্যা হতে পারে। এই কারণগুলো নীচে দেখে নিন।

চুলের অক্সিজেনের অভাব:
যদি চুল সারাক্ষণ বিনুনি বা খোঁপা করা থাকে তাহলে চুলের বৃদ্ধি কম হয়। কারণ লম্বা হওয়ার জন্য উন্মুক্তভাবে শ্বাস নেওয়া প্রয়োজন। সারাক্ষণ চুল বাঁধা থাকলে তা সম্ভব হয় না। তাই এটি একটি অন্যতম কারণ চুলে না বাড়ার।

তেল না লাগানো:
সপ্তাহে একবাক অন্তত তেল লাগানো উচিত কারণ তেল চুলের পুষ্টি জোগায়। তেল চুলের খাবার। আর তা না পেল চুল ক্রমশ রুক্ষ হয়ে যায়। ফলে মাঝখান থেকে ভাঙতে শুরু করে, চুল পড়তে শুরু করে।

প্রত্যেকদিন চুল ভেজানো:
যদি প্রত্যেকদিন চুল ধুতে থাকেন তাহলে মাথার প্রাকৃতিক তৈলাক্ত পদার্থ যা চুলকে স্বাভাবিকভাবে ময়শ্চারাইজ করে তা নষ্ট হয়ে যায়, ফলে চুল রুক্ষ ও অস্বাস্থ্যর হয়ে ওঠে। এবং তা ভাঙতে শুরু করে।

নিয়মিত চুল ট্রিম করুন:
২-৩ মাস অন্তর অন্তর চুল ট্রিম করা উচিত। চুলের দৈর্ঘ্য কম করতে হবে না, কিন্তু স্প্লিট এন্ড এসে গেলে তা বাড়তে পারে না। তাই ট্রিম করার ফলে দুমুখো চুল বেরিয়ে গেলে চুল তাড়াতাড়ি বাড়তে পারে।

খাবারের দিকে নজর দিন:
যদি আপনার রোজকার ডায়েটে ভিটামিন ও প্রোটিনের অভাব হয়, তার প্রভাব চুলেও পড়তে পারে। চুল যদি ঘন ঘন পড়তে শুরু করে তাহলে এটি একটি সংকেত হতে পারে যে আপনার ডায়েট বদলানোর সময় এসেছে।

চুলে গরম যন্ত্রপাতির ব্যবহার:
স্ট্রেটনিং আয়রন, কার্লিং আয়রন, ব্লো ড্রায়ার, এই ধরণের জিনিস অত্যধিক হারে চুলে ব্যবহার করার ফলে চুলে বাড়বাড়ন্ত থেমে যেতে পারে। কারণ এগুলি চুলকে গোড়া থেকে হাল্কা করে দেয়।

নতুন নতুন কেমিক্যাল দ্রব্যের ব্যবহার:
বাজারে হাজার হাজার নতুন চুলের সামগ্রী আসতে থাকে। আর আমরা বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পড়ে এই ধরণের কেমিক্যালযুক্ত শ্যাম্পু, কখনও হেয়ার মাস্ক, কন্ডিশনার প্রভৃতি ব্যবহার করি ও চুলের সঙ্গে নানাবিধ পরীক্ষা-নিরিক্ষা করতে থাকি। এর ফলে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ভুল চিরুণির ব্যবহার:
সরু দাঁতের চিরুণি ব্যবহার করা চুলের পক্ষে ভাল না। কারণ এর ফলে চুলের জট হয়ে যায়, চিরুণির সরু দাঁতের জন্য চুল ছিঁড়ে যায়। চুল গোড়া থেকে হাল্কা হয়ে যায় ফলে সহজে পড়ে যায়।

রাতের যত্ন:
রাতে শোয়ার সময় চুলের যতেœর জন্য কিছু জিনিস মেনে চলা উচিত যা আমরা মানি না। কখনওই খোলা চুলে শোয়া উচিত নয়। সাটিনের কাপড় দিয়ে চুল পেঁচিয়ে নিয়ে বা বিনুনী করে শুতে যান। নাহলে ঘষা লেগে লেগে চুলের ডগা ফেটে যেতে পারে।

চিকিৎসার প্রয়োজন:
অনেক সময় বিভিন্ন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় চুল পড়ে যায়। বা চুল লম্বা হয় না। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।

আরো পড়ুন

পাত্র খুঁজে পাচ্ছেন না যে গ্রামের সুন্দরী নারীরা

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতিও ভিন্ন। একেক দেশের রীতি অন্য দেশের কাছে অদ্ভুত বা উদ্ভট বলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *