রাস্তা থেকে অসুস্থ বিড়াল তুলে এনে পোষেন এই মহিলা একসাথে ৪২টি, সবাই তাকে বিড়ালের মা বলে ডাকেন!

নিজস্ব প্রতিবেদন: পোষা প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে কাছের বন্ধু হচ্ছে বিড়াল ।প্রায় সকলেই বিড়াল পছন্দ করে। প্রত্যেকের জীবনে একবার না একবার বিড়াল পোষে থাকে। বিশেষ করে বাচ্চারা বেশি পছন্দ করে। বিড়ালের ডাক খুব মধুর। পোষা প্রাণীদের মধ্যে মানুষের সবচেয়ে কাছাকাছি থাকে বিড়াল। এমনকি মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও নকল করে ফেলে। নিত্যদিন মানুষ যা খায় বিড়াল কিন্তু তাই খায়। তাই বিড়াল পোষে বাড়তি খাবারের প্রয়োজন হয় না।

বিড়াল পোষার উপকারিতা রয়েছে। বিড়াল কিন্তু খুব দক্ষ শিকারি। বিড়াল ইঁদুর নিধন করে। যে ঘরে বিড়াল আছে সে ঘরে ইঁদুর থাকতে পারেনা। বিড়াল ক্ষতিকারক ইঁদুরের হাত থেকে আমাদের কাপড়-চোপড় কে রক্ষা করে।কিন্তু সবাই বিড়াল শখের বশেই পালন করে থাকে। বিড়াল এমন একটি প্রাণী যা মানুষের মনের ভাব খুব সহজেই বুঝতে পারে।

বিড়াল খুব শান্ত প্রকৃতির একটি প্রাণী। বিড়াল বাচ্চাদের সাথে খুব সুন্দর খেলাধুলা করতে পারে। আমাদের দেশের তুলনায় উন্নত বিশ্বে পোষা প্রাণী হিসেবে বিড়ালের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিড়াল সকল প্রকার খাবার খেলেও এর খুব পছন্দের খাবার হচ্ছে মাছ ও মাছের কাটা। বিড়াল খুব ভালো শিকার করতে পারার জন্য একে বাঘের মাসিও বলা হয় ।

বিড়াল ইঁদুরের পাশাপাশি ঘরের বিভিন্ন ছোট ছোট কীটপতঙ্গ খেয়ে ঘর পরিষ্কার রাখে। অন্যান্য পোষা প্রাণীর চেয়ে বিড়াল অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্বভাবের হয়ে থাকে। নোংরা ও স্যাঁতস্যাঁতে জায়গা বিড়াল অপছন্দ করে। কোথায় আছে বিড়াল যে জায়গায় ঘুমায় সে জায়গা খুব নিরাপদ থাকে।বিড়াল মানুষের খুব কাছাকাছি থাকতে পছন্দ করে।

কিছুদিন আগে নেট দুনিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয় যেখানে দেখা যায় একটি মহিলা একটি নয় দুটি নয় পুরো 42 টি বিড়াল পালন করে। নিজে বিড়ালকে কতটুকু ভালবাসে তার ভিডিওটি দেখলেই বুঝতে পারবেন। ভিডিওটিতে দেখা যায় উনি বিড়ালের সঙ্গে কথা বলে, বিড়ালকে শাসন করে এবং তিনি বিড়ালের মনের ভাষা বুঝতে পারে। মনের এই ছোট ঘরে বিড়ালের পুরো একটি আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে দেখা যায়।

যেমন বিড়াল গুলোকে ভালোবাসে বিড়ালগুলো উনাকে অনেক ভালোবাসি।বাড়িতে উনার উপস্থিতি টের পেলেই বিড়ালগুলো উনার কাছে চলে আসে । উনি নিজ হাতেই বিড়াল গুলোকে খাবার খাওয়ায়। অনেক অসুস্থ বিড়াল কে উনি সেবা করে সুস্থ করে তুলেছেন। উনাকে সবাই বিড়ালের মা বলেও ডাকে। বিড়ালগুলো উনার যতটুকু কাছাকাছি থাকে অন্যের কাছে কিন্তু ততটুকু ভিড়ে না। বিড়ালগুলো তাদের মা হিসেবে উনার ঘরে বসবাস করে।

উনি যে পরিমাণ টাকা উপার্জন করেন তা দিয়ে বিড়ালের খরচ চালানো খুব কষ্টকর হয়ে পড়ে। তাই সরকারের কাছে আবেদন করেন কেন সরকার ঐদিক কিছুটা হেল্প করে। আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত এরকম যারা নিঃস্বার্থভাবে অন্যকে ভালবাসে তাদের পাশে দাঁড়ানো। আশাকরি প্রত্যেকেই পুরো ভিডিওটি দেখবেন।

বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুনঃ

আরো পড়ুন

কপালের আকার বলে দেবে আপনার ভবিষ্যত এবং আপনার ভাগ্য! বিশ্বাস না হলে মিলিয়ে নিতে পারেন।

নিজস্ব প্রতিবেদন: আমরা অনেকেই বিভিন্ন ভাবে ভাগ্য নির্ধারণ করে থাকি। বিভিন্ন জ্যোতিষী কিংবা বিশেষজ্ঞ দ্বারা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.