সুন্দরবনের নদীতে মিলল প্রায় ৭ ফুটের তেলেভোলা মাছ, বিক্রি হল ৪৩ লক্ষ টাকায়।

ওপার বাংলার সুন্দরবনের নদীতে মিলল প্রায় ৭ ফুটের তেলেভোলা মাছ। ৭৮ কেজির ওজনের মাছটি গোসাবার নদীতে ধরা পড়ে। ক্যানিং বাজারে কেজিপ্রতি ৪৯,৩০০ টাকা দর ওঠে এই মাছের। কলকাতার এক সংস্থা সাড়ে ৩৬ লক্ষ টাকায় কিনে নেয় এই মাছ।। মাছ ধরতে গিয়ে ঝালে ধরা পরল পেল্লাই সাইজের তেলেভোলা (bhola fish)। ওজন প্রায় ৭৮ কেজি ২০০ গ্রাম।

যা ব্রিক্রি হল প্রায় সাড়ে ৩৬ লক্ষ টাকায়। কিনে নিল কলকাতার কেএমপি নামের এক প্রতিষ্ঠান। যার পেটে রয়েছে মূল্যবান কিছু সম্পদ। মৎস্যজীবী বিকাশ বর্মন দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের (sundorbon) নদীতে মাছ ধরেন। জানা গিয়েছে মাছটির ওজন ৭৮ কেজি ৪০০ গ্রাম। দক্ষিণ 24 পরগনার গোসাবার সোনাগাঁ থেকে শুক্রবার পাঁচ মৎস্যজীবী গিয়েছিলেন মাছ ধরতে। শনিবার সকালে কপুরা নদীর কাছে তেরো বাঁকির খালে জাল ফেলার পর উঠে আসে ওই বিশাল মাছটি।

মৎস্যজীবীরা সেদিন সন্ধ্যায় ক্যানিং আড়তে মাছটিকে বিক্রি করার জন্য নিয়ে আসেন। আড়তদার প্রভাত মণ্ডল বলেন, ‘এর আগের এত বড় তেলিয়া ভোলা মাছ ক্যানিং বাজারে আসেনি’। পেটে বহু মুল্যবান সম্পদ বলতে সোনা-দানা বা হিরে নয়, ওষুধ তৈরির জন্য বিদেশের বাজারে তেলিয়া ভোলা মাছের শরীরের বিভিন্ন অংশের খুব চাহিদা আছে বলে জানান মৎস্যজীবীরা। মাছটি বিক্রি হয়েছে ৩৭ লক্ষ ৫৩ হাজার ৮১১ টাকায়।

জানা গিয়েছে মাছটির ওজন ৭৮ কেজি ৪০০ গ্রাম। দক্ষিণ 24 পরগনার গোসাবার সোনাগাঁ থেকে শুক্রবার পাঁচ মৎস্যজীবী গিয়েছিলেন মাছ ধরতে। শনিবার সকালে কপুরা নদীর কাছে তেরো বাঁকির খালে জাল ফেলার পর উঠে আসে ওই বিশাল মাছটি। মৎস্যজীবীরা সেদিন সন্ধ্যায় ক্যানিং আড়তে মাছটিকে বিক্রি করার জন্য নিয়ে আসেন। আড়তদার প্রভাত মণ্ডল বলেন, ‘এর আগের এত বড় তেলিয়া ভোলা মাছ ক্যানিং বাজারে আসেনি’।

আরও পড়ুন: দুর্দান্ত ভঙ্গিমায় বেলি ড্যান্স করে ভাইরাল যুবতী, প্রশংসার ঝড় নেটদুনিয়ায় পেটে বহু মুল্যবান সম্পদ বলতে সোনা-দানা বা হিরে নয়, ওষুধ তৈরির জন্য বিদেশের বাজারে তেলিয়া ভোলা মাছের শরীরের বিভিন্ন অংশের খুব চাহিদা আছে বলে জানান মৎস্যজীবীরা। মাছটি বিক্রি হয়েছে ৩৭ লক্ষ ৫৩ হাজার ৮১১ টাকায়।

আরো পড়ুন

বিবাহিত পুরুষদের লিখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার অনুরোধ রইল!

মানুষকে নিজের প্রতি আকর্ষিত করার তেমন কোনো রুলবুক নেই। কারণ ভিন্ন মানুষ ভিন্ন ভাবনার হন। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *