যেন বয়স দিন দিন কমছে তার, বয়স ৪৪ হলেও আজও বাংলার ক্রাশ যীশু সেনগুপ্ত

যীশু সেনগু”প্ত , নামটা শুনলেই মনে পড়ে একজন আদর্শ অ’ভিনেতা, একজন আদর্শ সঞ্চালকের কথা। যেমন অ’ভিনয়ে দক্ষতা তুখোড় তেমনই সঞ্চালনায় দক্ষতা আকাশ ছোঁয়া। যাকে ছাড়া জি বাংলা সারেগামাপা র কথা ভাবা যায় না। প্রানোজ্জল, চঞ্চল, হাসি খুশি স্বভাবের এক প্রাণপুরুষ। তার রুপালি জগতের পথ চলা শুরু হয় মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য ধা’রাবাহিকের মাধ্যমে। তিনি সেখানে মহাপ্রভুর চরিত্রে অ’ভিনয় করতেন।

কর্মজীবনের শুরুতে এসেছে অনেক ঝড় ঝাপটা, অ’ভিনয় দক্ষতা থাকা সত্বেও ভাগ্যের নি’র্মম পরিহাসে তিনি সুযোগ পাননি একাধিক সিনেমায়। দিনের পর দিন শুধু প্রত্যাখ্যান জুটেছে তার কপালে, এছাড়াও তাকে অ’পয়া অ’ভিনেতা বলে আ’ক্রমণ করেছেন অনেক পরিচালক। তবুও তিনি জীবন যু’দ্ধে হেরে যান নি। মাথা নত করে নেন নি এই অ’পমানের কাছে, ধৈর্য ও কঠোর পরিশ্রমের দ্বারা তিনি সাফল্য অর্জন করেন।

একসময় যখন কোন পরিচালক তাকে চিনতে পারেননি সেই সময় তার মধ্যে একটা রত্ন লুকিয়ে আছে সেটা দেখতে পেয়েছিলেন একমাত্র পরিচালক ঋতুপ’র্ণ সেনগু”প্ত । তার হাত ধরে যীশু অ’ভিনয় করেন চিত্রা’ঙ্গদা ছবিতে। তারপর থেকেই তার ভিতরের শিল্প সত্তা জেগে উঠলো, সেখান থেকেই শুরু আবার পথ চলার তারপর থেকে হিন্দি ইন্ডাস্ট্রি ছাপিয়ে সাউথ ইন্ডাস্ট্রি পর্যন্ত নিজের প্রভাব বিস্তার করে ফেলেন।

রথ যাত্রার দিনে হিন্দু ধ’র্মাবলম্বীরা রথের দড়িতে টান দিয়ে থাকেন এর সাথে শামিল হয় অন্যান্য ধ’র্মাবলম্বীরা ও। তবে যীশুর সাথে রথের কি সম্পর্ক থাকতে পারে তা হয়তো অনেকেই বুঝতে পারছেন না? সম্পর্কে তো তেমন গভীর না খুবই সূক্ষ্ম, একসময় ছোটপর্দায় দর্শকেরা যীশুকে মহাপ্রভুর চরিত্রে দেখতেন। তাই একটু সম্পর্ক থেকেই গেছে। চৈতন্যদেব জীবনের শেষ ১৮ বছর কাটিয়েছেন পুরীতে। তিনি যেখানে দাঁড়িয়ে জগন্নাথ দর্শন করতেন সেই অংশের পাথর সংরক্ষিত করে রাখা হয়েছে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের।

রথযাত্রার এই বিশেষ দিনে যীশুকে দেখা গেলো একদম নতুন রূপে। একদম রাফ অ্যান্ড টাফ লুকে হাজির তিনি, পরনে রয়েছে ব্লু গেঞ্জি, দেখে যেন মনে হচ্ছে বয়স দিন দিন কমছে তার। চুলে পাক ধরলেও পাক ধরেনি মনে। নিজেকে হ্যান্ডসাম পুরুষের মতো একদম সুদী’প্ত রেখেছেন তিনি।

আরো পড়ুন

পাত্র খুঁজে পাচ্ছেন না যে গ্রামের সুন্দরী নারীরা

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতিও ভিন্ন। একেক দেশের রীতি অন্য দেশের কাছে অদ্ভুত বা উদ্ভট বলে …