মহানগর’ ওয়েব সিরিজের পরিচালক আশফাক নিপুণকে ফোন: মোশারফ করিমের অভিনয়ে মুগ্ধ প্রসেনজিৎ

হইচই ফেলে দেওয়া ওয়েব সিরিজ ‘মহানগর’। পরিচালক আশফাক নিপুণ এই মুহূর্তে সর্বত্র প্রশংসিত। এর মধ্যেই সাফল্যের মুকুটে যুক্ত হল নতুন পালক। একটি ফোনের কাহিনি। ফোনের ওপারে বাংলা ছবির তারকা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। প্রায় ১৫ মিনিট কথা চলল। সবটাই ‘মহানগর’ নিয়ে। ফোন শেষে বিস্ময় কাটে না আশফাক নিপুণের।

প্রথম বিস্ময়, এত বিখ্যাত একজন অ’ভিনেতা নতুন একজন পরিচালকের ওয়েব সিরিজ দেখে নিজেই ফোন করে মুগ্ধতা জানাচ্ছেন! দ্বিতীয় বিস্ময়, প্রসেনজিৎ তাঁকে বলেছেন, “আপনার ছবি বানানো উচিত। সিরিজ তো বানাবেনই, কিন্তু আপনার উচিত ছবি বানানো। ছবি আপনার জায়গা।”

প্রসেনজিতের এই শুভেচ্ছায় অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করেছেন আশফাক নিপুণ। ফেসবুকে লিখেছেন, ‘মহানগর-এর গল্প, পারফরম্যান্স, কাস্ট, ক্রু সবকিছু নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত তিনি (প্রসেনজিৎ)। মহানগর-এর গল্প বলার ধরনে, প্রতিটি অ’ভিনেতার পারফরম্যান্সে তিনি মুগ্ধ। বিশেষ করে ওসি হারুন চরিত্রে মোশারফ করিমের অ’ভিনয় নিয়ে তাঁর মুগ্ধতা কমছিলই না।’

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমকে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, “মহানগর সিরিজটা দেখে আমি অ’ভিভূ’ত । অসম্ভব ভাল লেগেছে। তাই নিপুণের ফোন নম্বর জোগাড় করে তাঁকে ফোন করেছিলাম। এর প্রতিটা দৃশ্য আমাকে স্পর্শ করেছে। প্রত্যেকের অ’ভিনয় এত ভাল, বিশেষ করে মোশারফ করিম। তাঁর কাজ আগে দেখেছি। দুই বাংলা মিলিয়ে এ রকম একজন অ’ভিনেতা আছেন, এটা ভেবেও আমি গর্বিত।”

গর্বিত আশফাক নিপুণও। সারল্যে ভরা পোস্টে তিনি লিখেছেন প্রসেনজিতের কথা, “শিশুর মতো আগ্রহে মহানগর-এর শ্যুটিং নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন করে যাচ্ছিলেন। ঋতুপ’র্ণ ঘোষের সিনেমা’র প্রস’ঙ্গ টানছিলেন। উৎপল দত্তর কথা বলছিলেন। আর এ দিকে আমি আমা’র কানকে বিশ্বা’স করতে পারছিলাম না!” বুম্বাদাকে ধন্যবাদ জানিয়ে নিপুণ বলেছেন, হৃদয় থেকে গল্প বলার সাহস বেড়ে গেল।

নতুন প্রতিভাকে বুকে জড়িয়ে ধ’রার মতো ভালবাসা একজন বড় শিল্পীরই থাকে। প্রসেনজিৎ তেমনই একজন শিল্পী।

আরো পড়ুন

বিবাহিত পুরুষদের লিখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার অনুরোধ রইল!

মানুষকে নিজের প্রতি আকর্ষিত করার তেমন কোনো রুলবুক নেই। কারণ ভিন্ন মানুষ ভিন্ন ভাবনার হন। …