চড়চড়িয়ে দাম বাড়ছে ডিমের, মাথায় হাত মধ্যবিত্তদের

এই দুর্মূল্যের বাজারে মাছ মাংসের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই জায়গায় সাধারণ মানুষ ডিমের উপরেই ভরসা রাখছেন। করোনাকালে শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার বাড়ানোর জন্য চিকিৎসকেরাও রোজ ডায়েটে ডিম রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন। তবে মাছ মাংসের মতো ডিমের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়াতে কার্যত নাজেহাল সাধারণমানুষ।

বিগত কয়েকদিন ধরেই ডিমের দাম অগ্নিমূল্য। ডিমের এই ক্রমবর্ধমান দাম ক্রমশ সাধারণের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মুরগির মাংস এবং মুরগির ডিমের দাম যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তার জন্য কার্যত উৎপাদন ব্যয়ই দায়ী বলে দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা।

তার উপর আবার করোনার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লকডাউন চালু হওয়াতে যাতায়াত বন্ধ। কাজেই এতদিন মুরগির মাংসের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি এবার ডিমের দাম দ্রুতহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কোনও কোনও বাজারে প্রতি পিস ডিমের দাম ৬ থেকে সাড়ে ৬টাকা ধার্য করা হয়েছে।

কোথাও আবার সাত থেকে সাড়ে সাত টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে এক একটা ডিম৷ কোন কোন বাজারে আবার ডিমের দাম পৌঁছেছে ৮টাকায়! ডিমের ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, ডিমের দাম এভাবেই ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকবে। অথচ করোনার সময়ে মানুষ কার্যত মাছ-মাংসের পাশাপাশি ডিমের উপরেই বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। ‌

এমন পরিস্থিতিতে ডিমের দামের এই হারে বৃদ্ধি হলে সাধারণের পকেট গড়ের মাঠ হওয়ার জোগাড় হবে। ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন ডিমের দাম এই হারে বৃদ্ধি পাওয়ার প্রধান কারণ হলো চাহিদার তুলনায় যোগানের ঘাটতি। পশ্চিমবঙ্গে নিত্যদিনের জন্য প্রয়োজনীয় ৫৫ শতাংশ পোলট্রির ডিম আসে উত্তরপ্রদেশ, বিহার, হরিয়ানা থেকে।

অথচ করোনা সতর্কতা বিধি চালু থাকার জন্য ডিমের যোগান ঠিকমতো এসে পৌঁছাচ্ছে না। পর্যাপ্ত যানবাহনের অভাব দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি এমনই থাকলে আগামী দিনেও ডিমের দাম বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে

আরো পড়ুন

বিবাহিত পুরুষদের লিখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার অনুরোধ রইল!

মানুষকে নিজের প্রতি আকর্ষিত করার তেমন কোনো রুলবুক নেই। কারণ ভিন্ন মানুষ ভিন্ন ভাবনার হন। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *